Showing posts with label Dhaka. Show all posts
Showing posts with label Dhaka. Show all posts

Sunday, April 12, 2015

সানবান্ধ্যা-বালিরটেক


কোন রিসোর্ট নয়, পুরো একটা দিন যদি ঢাকার কাছাকাছি বাংলার সুন্দর কোন নিভৃত গ্রামে কাটিয়ে দিতে চান, তবে চলে যান যান মানিকগঞ্জ এর সানবান্ধ্যা বালিরটেক এলাকায়। ছোটবেলায় বইয়ের পাতায় যে গ্রামের ছবি দেখেছেন, মিল খুজে পাবেন এ এলাকায় গেলে। এখানকার প্রকৃতি সতেজ, মানুষগুলো খাটি এবং জিনিষপত্র ভেজালমুক্ত। তাই যে কোন একটা ছুটির দিন চলে যান সানবান্ধ্যা-বালিরটেক।

কি করে যাবেন : গাবতলি থেকে প্রতি আধঘন্টা পরপর হরিরামপুরের 'শুকতারা' বাস ছাড়ে। এতে উঠে সানবান্ধ্যা ফেরিঘাট নেমে যাবেন। সময় লাগবে দেড় ঘন্টার মতো আর ভাড়া নেবে ৬০ টাকা।

যারা প্রাইভেট কার নিয়ে যাবেন তারা হেমায়েতুপুর থেকে হাতের বা দিকের রাস্তা ধরে যেতে থাকবেন সিংগাইর এর পর হাতে বা দিকে কিছুটা গেলেই সানবান্ধ্যা ফেরিঘাট।

কি করে ঘুরবেন : ফেরিঘাটে নেমেই চলে যাবেন কাছের কুমারবাড়িতে। দেখবেন কি অসাধারন দক্ষতায় একেকজন শিল্পী তৈরী করেন একেকটি মাটির পাত্র। এরপর ফেরী পার হয়ে বালির টেক চলে যান।

বালিরটেক নেমেই ফেরিঘাটের পাশে নিরিবিলি রেষ্টুরেন্ট এ খাবারের অর্ডার করে দিন। এদের দেশী মুরগির রান্নাটা অসাধারন। এরপর পাকা রাস্তা ধরে সুলতানপুরের দিকে যাত্রা করবেন। একটু পরেই কাচা রাস্তায় চলে আসবেন। এবার সুলতানপুর গ্রামটা ভালো করে দেখবেন। সুলতানপুর পার হয়ে যাবেন করিমকান্দি। এরপর বলাতলী হয়ে আবার ফিরে আসতে পারেন বালিরটেক ফেরিঘাটে। দুপুরের খাবার খেয়ে পাশে কালী গঙ্গা নদীতে গোছলটা সেরে নিতে পারেন। এরপর শেষ বিকেলে বাসে করে ঢাকার পথে যাত্র।

চিলাই নদী, বেলাই বিল গাজীপুর


ঢাকার খুব কাছে বেলাই নামে স্বচ্ছ জলের একটা বিল আছে কজনই বা জানেন সেটা? আর সাথে আছে চিলাই নামের সুন্দর একটা নদী। গাজিপুর সদরের পর ভাওয়াল রাজবাড়ির পার হয়ে ডানে টার্ন নিয়ে বেশ কিছুটা পথ গেলেই দেখা মিলবে এ বিল আর নদীর। কানাইয়া বাজারে নাস্তা করে একটা নৌকা ভাড়া করে সারাদিন আর চাইলে রাতেও জলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

যেভাবে যাবেন : গাজিপুর সদর পর্যন্ত যে কোন বাসে। সেখান নেমে টেম্পুতে কানাইয়া বাজার। ভাড়া নেবে ১০ টাকা করে। কানাইয়া বাজারে নেমে ব্রিজ পার হয়ে চেলাই নদীতে বাধা নৌকা ঠিক করে উঠে পরুন।

আর যারা ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যাবেন তারা এভাবে যান, যাত্রা অনেক আরাম দায়ক হবে : টঙ্গী ফ্লাইওভার পার হয়ে সামনের দিকে যেতে থাকুন। পুবাইল কলেজ গেট থেকে বায়ের ছায়াঘেরা রাস্তায় ঢুকে যান। এখান থেকে মাইল চারেক দুরে (জল জঙ্গলের কাব্য পার হয়ে) গিয়ে ডানে টার্ন নিয়ে মিনিট দশেক গেলেই কানাইয়া বাজার। আর এ বাজারের ঠিক পাশেই চিলাই নদী আর বেলাই বিল। (সংগ্রহীত)

মধুটিলা ইকোপার্ক


পাহাড়ের চূড়ায় সাইট ভিউ টাওয়ারে উঠলেই চোখ জুড়িয়ে যায় সীমান্ত পেরিয়ে উঁচু উঁচু পাহাড় আর সবুজ অরণ্যের মনোরম দৃশ্য দেখে। দূরের অরণ্যকে একটু কুয়াশাচ্ছন্ন মনে হলেও এর সৌন্দর্যের কোনো কমতি নেই। গারো পাহাড়ের আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথ পেরিয়ে যত দূর এগোনো যায়, ততই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ। শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে এই মধুটিলা ইকোপার্কটির অবস্থান।

পার্কের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই নজরে পড়বে উঁচু গাছের সারি। রাস্তা থেকে ডান পাশে খোলা প্রান্তর আর দুই পাশে রকমারি পণ্যের দোকান। রেস্তোরাঁ পেরোলে পাহাড়ি ঢালুর আঁকাবাঁকা রাস্তা। পাহাড়ের প্রবেশপথেই অভ্যর্থনা জানাবে ধূসর রঙের বিশাল আকৃতির শুঁড় উঁচানো পাথরের তৈরি দুটি হাতি।

এরপর যত এগোনো যাবে, ততই মন ভরে যাবে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। পথে বুনো গাছপালার ফাঁকে ফুটে আছে হরেক রকমের বুনোফুল, তাতে বাহারি প্রজাপতির ওড়াউড়ি। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে ঝোপঝাড়ে দেখা মিলবে হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, হ্রদের ধারে কুমির, ব্যাঙ আর মৎস্যকন্যার অতি চমৎকার সব ভাস্কর্য। আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে ঘন ঘন গাছের সারি গভীর অরণ্যের দিকে চলে গেছে। এখানে উঁচু পাহাড়ের গাছের ছায়ায় বসে কাটানো যাবে দুপুর ও বিকেল।

ইকোপার্কে ঢুকতে জনপ্রতি পাঁচ টাকায় টিকিট কাটার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে আলাদা ফি দিয়ে হ্রদে প্যাডেল বোট চালিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ। ওয়াচ টাওয়ারে উঠে ভারতে অবস্থিত উঁচু উঁচু পাহাড় আর সীমান্তবর্তী সবুজ গারো পাহাড় দেখতে পাবেন। ভাগ্য ভালো হলে ওয়াচ টাওয়ার থেকেই মিলতে পারে বুনোহাতির দলের দেখা। তারা সাধারণত শেষ বিকেলে অথবা সন্ধ্যায় গভীর অরণ্য থেকে নেমে আসে।

বিভিন্ন রাইড নিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা করে গড়ে তোলা হয়েছে শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য শিশুপার্ক। এখানে ভ্রমণপ্রিয়দের দিনের বেলায় ব্যবহারের জন্য রয়েছে পাহাড়ের চূড়ায় মহুয়া রেস্টহাউস। এটি ব্যবহার করতে চাইলে ময়মনসিংহ অথবা শেরপুর বন বিভাগের অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে ডিসপ্লে মডেল, তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিং জোন, ক্যানটিন, মিনি চিড়িয়াখানা। ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রজাতির বৃক্ষ, মৌসুমি ফুলসহ বিভিন্ন রঙের গোলাপের বাগান। রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পটও। পার্কটিতে জীববৈচিত্র্য ও প্রাণীর সমাহারও চোখে পড়বে।

যেভাবে আসবেনঃ
ঢাকা থেকে মধুটিলা ইকোপার্কের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ময়মনসিংহ হয়ে শেরপুরে আসতে হবে। শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার পর্যন্ত লোকাল বাস সার্ভিস রয়েছে। নন্নী বাজার থেকে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাওয়া যায়। শেরপুর থেকে ভাড়ায় মাইক্রোবাস, অটোরিকশা অথবা মোটরসাইকেলে মধুটিলা ইকোপার্কে আসা যাবে। অথবা ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি নালিতাবাড়ী পর্যন্ত গেটলক সার্ভিস রয়েছে। জনপ্রতি ভাড়া ২০০ টাকা। নালিতাবাড়ী থেকে অটোরিকশা, মোটরসাইকেলে ২০-২৫ মিনিটে মধুটিলায় যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই ফিরে যাওয়া যায়।

ঘুরে আসুন পানাম নগর


ঢাকার অদূরে ২৭ কি.মি দক্ষিণ-পূর্বে নারায়নগঞ্জ এর খুব কাছে সোনারগাঁতে অবস্থিত এই নগর। সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর থেকে উত্তর দিকে হাঁটাপথেই পৌঁছানো যায় অর্ধ্বচন্দ্রাকৃতি পানাম পুলে(যদিও পুলটি ধ্বংস হয়ে গেছে), এই পুল পেরিয়েই পানাম নগর এবং নগরী চিরে চলে যাওয়া পানাম সড়ক। আর সড়কের দুপাশে সারি সারি আবাসিক একতলা ও দ্বিতল বাড়িতে ভরপুর পানাম নগর। 

পানাম নগরের বিক্ষিপ্ত নিদর্শনাদি থেকে প্রতীয়মান হয় যে, এটি পূর্বে মেঘনা, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী ও উত্তরে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বেষ্টিত একটি বিস্তৃত জনপদ ছিল।এখানে কয়েক শতাব্দী পুরনো অনেক ভবন রয়েছে, যা বাংলার বার ভূইয়াঁদের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত। সোনারগাঁর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে।
১৪০০ শতাব্দীতে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যেখানে পৃথীবির নামি-দামি শিক্ষকরা পড়াতে আসতেন।
১৫ শতকে ঈসা খাঁ বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন সোনাগাঁওয়ে। পূর্বে মেঘনা আর পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা নদীপথে বিলেত থেকে আসতো বিলাতি থানকাপড়, দেশ থেকে যেতো মসলিন। শীতলক্ষ্যা আর মেঘনার ঘাটে প্রতিদিনই ভিড়তো পালতোলা নৌকা।
যে কেউ প্রাইভেটকার অথবা মাইক্রোবাস নিয়ে সরাসরি লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে যেতে পারবেন। আর যদি বাসে যেতে চান তাহলে গুলিস্তান থেকে বাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় এসে নামতে হবে। সেখান থেকে রিকশা/অটোরিক্সাযোগ

Saturday, April 11, 2015

জেনে নিন কেন বাঙালি-বিহারীর শহর সৈয়দপুর দেশের অন্য সব শহরের থেকে আলাদা


রংপুর বিভাগের সীমান্তবর্তী উত্তরের জেলা নীলফামারী। ছয়টি উপজেলার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসিদ্ধ সৈয়দপুর। সৈয়দ বংশীয় ইসলামি চিন্তাবিদ ও ধর্মপ্রচারকের নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে সৈয়দপুর। ব্রিটিশ আমলে শহরটি গড়ে উঠেছে। দেশের সর্ববৃহৎ সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, দুটি গির্জা, চিনি মসজিদ, ইউরোপিয়ান ক্লাবসহ আরো অনেক কিছুই দেখার আছে সৈয়দপুরে। এক সময়কার সিটি শহর সৈয়দপুরে রয়েছে অনেক দর্শনীয় ও ব্রিটিশ আমলের তৈরি বেশ কিছু অবকাঠামো। এখানে রয়েছে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা, বিমানবন্দর, সেনানিবাস, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের এসপি অফিস, রেলওয়ের বিভাগীয় হাসপাতাল, ঐতিহ্যবাহী চিনি মসজিদ, দর্শনীয় গির্জা, মুর্তজা ইন্সটিটিউট, বিশ্বের অন্যতম ফাইলেরিয়া হাসপাতাল, হরেক রকম কুটির শিল্প, জুট মিল, বেনারসি পল্লী, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস, সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির ধারক ও বাহক শতবছরের পুরাতন শিল্প-সাহিত্য সংসদ অন্যতম। পাশাপাশি দেখা যাবে বাস-ট্রাকের পরিত্যক্ত টায়ার জ্বালিয়ে জ্বালানি তেল তৈরি, এর একপাশে তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নোহা প্রেসার কুকার, ননস্টিক প্যান, ওভেন ও অন্যান্য তৈজসপত্র। যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে পাশের ভারত, নেপাল ও ভুটানে রফতানি করা হচ্ছে। সৈয়দপুর প্লাজার দোতলায় তৈরি হচ্ছে পরচুলা ও শহরের বাঙালিপুরে হচ্ছে জুতার চামড়ায় নকশা। যাচ্ছে বিদেশের বিভিন্ন দেশে। 

শহর থেকে রেল কারখানায় যেতে লাগে পাঁচ মিনিট। কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়কের (ডিএস) অফিসে গিয়ে অনুমতি নিতে হয়। কারখানাটি ১৮৭০ সালে নির্মিত হয়েছে। মোট ২২টি শপ (উপকারখানা) রয়েছে। একসময় এখানকার ক্যারেজ শপে নতুন রেল বগি তৈরি হতো। শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় খ্রিস্টান ধর্মাবম্বলীদের দুটি বড় সুন্দর গির্জা রয়েছে। 

সৈয়দপুরে আরো আছে চিনি মসজিদ। এর আরেক নাম চিলি মসজিদ। নির্মাণশৈলী ও সৌন্দর্যে অনন্য মসজিদ। প্রাণ জুড়িয়ে যাবার মত। নির্মাণকাল ১৮৬৩। অবস্থান ইসলামবাগ রসুলপুর এলাকায়। এর মিনার সংখ্যা ৩২। বড় গম্বুজ আছে তিনটি। চীনামাটির টুকরা দিয়ে ফুল ও গাছগাছড়ার নকশা মসজিদের গায়ে। শুক্রবারে দূর দূর থেকে এখানে মুসল্লি আসেন। মসজিদের বলতে গেলে গা ঘেঁষে খ্রিস্টান সিমেট্রি মানে কবরস্থান। গির্জাও আছে কাছে।

সৈয়দপুর শহরের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে খরস্রোতা খড়খড়িয়া নদী। নদীর পূর্ব পাড়ে আছে শহর রক্ষা বাঁধ। বিকেলে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন।

পাশেই সৈয়দপুর বাইপাস সড়ক। বিশাল এ সড়কের দুই ধারে বিস্তীর্ণ সবুজ। যেতে পারেন রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব দেখতে। লালরঙা ভবনটির সামনে সবুজ আঙিনা। বাতাসে শরীর জুড়াল। সৈয়দপুর বিমানবন্দর টাও কিন্তু বেশ সুন্দর। আরো দেখার আছে চিড়িয়াখানা। 

এ শহর দেশের অন্য সব শহরের থেকে আলাদা। আসলে অবাঙালিরাই শহরটিকে অন্যমাত্রা দিয়েছে। শুনেছি, মহররমে এখানে বড়সড় শোক মিছিল হয়। কারবালার প্রান্তর তৈরি হয়। ইয়াজিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধক্ষেত্র সাজানো হয়। ফোরাত নদীও খোঁড়া হয় শুনেছি। তাই মহররমের সময় আসতে পারলে ভালো।

কিভাবে যাবেন
ঢাকার আসাদ গেট ও গাবতলী থেকে নাবিল, বাবলুসহ আরো কিছু পরিবহনের বাসে সৈয়দপুর যাওয়া য়ায়। ভাড়া ৫৫০ থেকে ৮৫০ টাকা (এসি, নন-এসি)। ক্যান্টনমেন্ট কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে নীল সাগর ট্রেনেও সৈয়দপুর যেতে পারেন। ভাড়া ৪৪৫ থেকে ১৪০০ টাকা। শহরে বেশ কয়েকটি অভিজাত আবাসিক হোটেল আছে। আছে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো ও রেলওয়ে রেস্টহাউস।

গাজীপুর ভ্রমনে গেলে যে স্থানটি আপনাকে মুগ্ধ করবেই!


ঢাকা জেলার খুব কাছের একটি জেলা হচ্ছে গাজীপুর। এ জেলাতে রয়েছে অনেক গুলি দর্শনীয় স্থান যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক। গাজীপুর ভাওয়ালের এই ন্যাশনাল পার্কটি প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানকার প্রাকৃতিক বন, জীবজন্তু আর পশুপাখি সহজেই আপনাকে মুদ্ধ করে ছাড়বে। আপনি ইচ্ছে করলেই খোলা হাওয়ায় প্রকৃতির এই সৌন্দর্যে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারেন! ঘুরে আসতে পারেন নিজে অথবা পরিবার পরিজনদের সাথে নিয়ে। চলুন জেনে নেই মনোমুদ্ধকর এই প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রটি সম্পর্কে।

ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কটির অবস্থানঃ
ঢাকা শহর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ও গাজীপুর সদর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জয়দেবপুরে গাজীপুর ন্যাশনাল পার্ক টির অবস্থান। ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কের পাশে এ পার্কটি অবস্থিত হওয়ায় অতি সহজে এবং ঢাকা থেকে অল্প সময়ে ঘুরে আসতে পারেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী যেকোনো বাসে চড়ে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ফটকের সামনেই নামা যায়। এ ছাড়া ঢাকার গুলিস্তান থেকে প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি বাস চলে এ পথে। ভাড়া ৫০-৬০ টাকা। নিজস্ব গাড়িতে গেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তা ছাড়িয়ে অল্প কিছু দূর গেলে হাতের ডানে পড়বে এর প্রধান প্রবেশপথ।

মুগ্ধ করার মত যা যা রয়েছে এই প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রটিতেঃ
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। প্রায় ২২০ প্রজাতির গাছপালা আছে এ বনে। এর মধ্যে ৪৩ প্রজাতির বিভিন্ন রকম গাছ, ১৯ প্রজাতির গুল্ম, ৩ প্রজাতির পাম, ২৭ প্রজাতির ঘাস, ২৪ প্রজাতির লতা, ১০৪ প্রজাতির ঔষধি গাছ। জীব বৈচিত্র্যেরও কমতি নেই এ বনে। প্রায় ১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫ প্রজাতির পাখি ও ৫ প্রজাতির উভচর প্রাণীও রয়েছে এ বনে। একসময় ভাওয়াল উদ্যানে পাওয়া যেত ব্লাক প্যান্থার, চিতা বাঘ, ময়ূর, হাতি। ক্রমাগত বন উজাড়ের ফলে দিনে দিনে এর পরিধি কমে আসায় এ বন থেকে বিলুপ্ত হয়েছে নানান বন্যপ্রাণী।

চলো হারিয়ে যাই প্রকৃতির মাঝেঃ
সারি সারি বৃক্ষের মাঝে পায়ে চলা পথ। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিশ্রামের জন্য আছে বেঞ্চ কিংবা ছাউনি। বনের মাঝে কোথাও কোথাও চোখে পড়বে ধানক্ষেত। কোথাও আবার পুকুর কিংবা ছোট আকারের লেক। এ ছাড়া ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে আছে বেশ কয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র। এখানকার কটেজগুলোও বাহারি নামের। বকুল, মালঞ্চ, মাধবি, চামেলী, বেলী, জুঁই ইত্যাদি। নামের মতো এগুলোর পরিবেশও ভিন্ন আমেজের।

পিকনিক স্পট কিংবা রেস্ট হাউস ব্যবহার করতে হলে বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হয়। এ উদ্যানের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস নিয়ে প্রবেশ করতে লাগবে ৩০ টাকা আর মিনি বাসের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা। দুই-তিনজন এখানে বেড়াতে গেলে উদ্যানের বেশি ভেতরে না যাওয়াই ভালো।

বন্ধুরা,  তাহলে আজই বেরিয়ে পড়ুন গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানটি দেখার জন্য। আর অবশ্যেই ঘুরে আসার পর গাজীপুর ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কটির জানা অজানা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না।

অরণ্যালয় চিড়িয়াখানা


পেখম মেলে দাঁড়িয়ে আছে ময়ূর পাখি। টিয়া পাখিগুলো করছে ওড়াউড়ি। ওদের পাশে আরও আছে টারকি, কালিম, ককটেল, গোল্লা কবুতরসহ নানা প্রজাতির পাখি। কেবল পাখি নয়, পাখির পাশাপাশি এখানে রয়েছে মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, সাম্বার হারিণ, খরগোশ, গিনিপিগসহ অনেক প্রজাতির প্রাণী। তোমরা নিশ্চই ভাবছ, আমি ঢাকা চিড়িয়াখানার কথা বলছি? -না, এটি ঢাকা চিড়িয়াখানার কথা নয়, তবে এটিও একটি চিড়িয়াখানা। এর নাম অরণ্যালয়। ঢাকার গাবতলী থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে সাভার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই এ চিড়িয়াখানাটি অবস্থিত। কেবল চিড়িয়াখানা নয়, এটি একটি পিকনিক কেন্দ্রও। তাই চিড়িয়াখানার পশুপাখি দেখার পাশাপাশি চাইলে এখানে তোমরা পিকনিক করতেও যেতে পার।

তুমি কি যেতে পারবে?

এ চিড়িয়াখানা ও পিকনিক কেন্দ্রটি মূূলত সাভার মিলিটারি ফার্মের একটি প্রতিষ্ঠান। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এর উদ্বোধন হয় ১৯৯৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। অবশ্য ঢাকা চিড়িয়াখানার মতো এ চিড়িয়াখানাটি এত বড় নয়। তবে এখানে যেসব প্রাণী আছে, তা দেখে তুমি বেশ মজাই পাবে। এছাড়া বিশাল বনের মাঝে এ চিড়িয়াখানা ও পিকনিক কেন্দ্রটি তোমার বেড়াতেও ভালো লাগবে। চিড়িয়াখানার পাশাপাশি এখানকার বনের গাছগাছালি থেকে পাখির কিচিরমিচির ডাকও শুনতে পাবে। তোমরা যারা ঢাকায় বসবাস করছ, তাদের জন্য এটি বেড়ানোর জন্য বেশ আদর্শ জায়গা।

দেখার মত আছে যাঃ
প্রবেশমূল্য প্রতি জন ১০ টাকা। এ চিড়িয়াখানায় তুমি দেখতে পাবে নানা প্রজাতির পাখি, হরিণ, খরগোশ, গিনিপিগ, বানর, হনুমান, ভাল্লুক, অজগর সাপ, তিথির মুরগিসহ ইত্যাদি। পশুপাখি দেখা হলে একটু বিশ্রাম নিতে পার। এখানে বিশ্রাম নেয়ার জন্য দারুণ বৈঠকখানা আছে। বিশাল একটি পুকুরও আছে। আরও আছে খেলাধুলার ব্যবস্থা। আর এখানে তোমার জন্য চা, চটপটি, চকোলেট, আইসক্রিমের দোকান আছে। চাইলে সেখান থেকে কিনে খেতে পারবে। সব মিলিয়ে বনের মাঝে এ নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে তোমার সময়টা কাটবে ভালো। এটা খোলা থাকে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৬টা এবং অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

যাওয়ার বন্দবস্তঃ
ঢাকার মতিঝিল, গুলিস্তান, শাহবাগ, ফার্মগেট থেকে হানিফসহ বিভিন্ন বাস ছেড়ে যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে। বাস থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে নেমে সেখান থেকে হেঁটে মাত্র ৫ মিনিটেই যাওয়া যাবে অরণ্যালয়ে।
 সূত্রঃ ইন্টারনেট

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, মানিকগঞ্জ


বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ৫.৮৮ একর জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ।এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে একটি স্থানীয় ধনী পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।এই পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন গোবিন্দ রাম সাহা।তিনি মূলত খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকের শেষ দিকে একজন বর্ধিষ্ণু লবন ব্যবসায়ী ছিলেন।সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহারিত হত ব্যবসায়িক কাজে।এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল সেখানে বসবাস করত তারা।

কিভাবে যাবেন : ঢাকার গাবতলী থেকে মানিকগঞ্জ বা সরাসরি সাটুরিয়া যাওয়ার বাস পাওয়া যাবে।জনতি ভাড়া পড়বে ৭০ টাকা।সাটুরিয়া পৌঁছে সেখান থেকে রিকশা বা লোকাল সিএনজিতে করে জমিদার বাড়ি যাওয়া যাবে।জনপ্রতি ভাড়া ১০টাকা।

নিজে গাড়ি নিয়ে গেলে কালামপুর বাজার থেকে ডানে মোড় নিতে হবে।কয়েক কি:মি: যাবার পর লোকজনের কাছে জানতে চাইলে দেখিয়ে দেবে।

নোট : বালিয়াটি জমিদার বাড়ি রোববার পূর্ণদিবস আর সোমবার অর্ধদিবস বন্ধ থাকে।অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও বন্ধ থাকে।প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ১০টাকা।

ঢাকায় কোথায় কখন ঘুরবেন?

যান্ত্রিক এই শহরে যে যার মত ব্যস্ত সময় পার করেন। শত কাজের ভিড়ে একটু খোলামেলা জায়গায় দম ফেলার বিন্দুমাত্র সুযোগ হয়তবা অনেকেরই হয়ে ওঠেনা। তারপরেও কাজের ফাঁকে একটু ছুটি পেলে অনেকেই ছুটেন বিনোদনের জন্য। একটু খোলা পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো, সন্তানদের ছোটা-ছুটি, প্রাণ খোলে নিঃশ্বাস নেওয়ার মত বেশ কিছু জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানও রয়েছে রাজধানী ঢাকায়। কিন্তু দর্শনীয় স্থান গুলো কোন কোন দিন খোলা থাকে আর কোন কোন দিন বন্ধ থাকে সে সম্পর্কে ঠিক ঠাক না জানা থাকলে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে। তাই ঢাকার ভেতরে কখন কোথায় ঘুরতে যাবেন তা আগে থেকে জেনে যাওয়ায় ভাল। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সমূহ সম্পর্কে জানিয়ে দিতেই আজকের এই আয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেই...

আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, সদরঘাট

সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬
 
জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৮৬১৯৩৯৬-৯৯

লালবাগ কেল্লা, লালবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোমবার খোলা থাকে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মঙ্গল থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
জুমার নামাজের জন্য শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি ১০ টাকা; তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০ টাকা।
ফোন: ৯৬৭৩০১৮

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ধানমন্ডি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে।
ফোন: ৮১১০০৪৬

ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার (তবে রোববার অন্য কোনো সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (অক্টোবর-এপ্রিল)। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (মে-সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: ১০ টাকা। আগে আবেদন করলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের জন্য ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়।
ফোন: ৮০৩৫০৩৫, ৯০০২০২০, ৯০০২৭৩৮, ৯০০৩২৫২

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেগুনবাগিচা
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি); সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর)।
ফোন: ৯৫৫৯০৯১-২

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি পাঁচ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯১১২০৮৪

নভোথিয়েটার, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রদর্শনী শুরু হয় প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর একটা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায় (শনি থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)।
শুক্রবার প্রদর্শনী বেলা সাড়ে ১১টা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায়।
টিকিট: সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যায়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে।
টিকিটের মূল্য: ৫০ টাকা।
ফোন: ৯১৩৯৫৭৭, ৯১৩৮৮৭৮, ৮১১০১৫৫, ৮১১০১৮৪

সামরিক জাদুঘর, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে।
ফোন: সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ-৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১

শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
বুধবার শুধু দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা থাকে। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); দুপুর দুইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
বুধবার ছাড়া সোম থেকে শনিবার খোলা দুপুর একটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি আট টাকা এবং প্রতি রাইডের টিকিট মূল্য ছয় টাকা।
ফোন: ৮৬২৩৩০৪

শিশু একাডেমী জাদুঘর

সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্র ও শনিবার।
রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯৫৫৮৮৭৪

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), মিরপুর
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)।
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
ফোন: ৮০৩৩২৯২
 
বলধা গার্ডেন, ওয়ারী
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব-১০ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রবেশমূল্য দুই টাকা। আর শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
 
নন্দন পার্ক, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। যেকোনো সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯০২৮৩, ৯৮৯০২৯২, ০১৮১৯২২৩৫২৯

ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯৬৪৮২, ৮৮৩৩৭৮৬, ৭৭০১৯৪৪-৪৯